এই cereal এর মাধ্যমে যেসব পুষ্টি উপাদান পাচ্ছেন → আয়রন, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন এ, বি, বি১, K, E, জিংক, ফ্যাট, এনার্জি, ফসফরাস, ফলিক এসিড, পটাশিয়াম, আনস্যাচুরেটেড অয়েল, এন্টিঅক্সিডেন্ট !! যেগুলো একজন মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের সুষম বৃদ্ধি ঘটাতে জরুরি পুষ্টিউপাদান! দেহের প্রায় সকল প্রয়োজনীয় পুষ্টি এই cereal থেকে পাচ্ছেন!
→ কাঠবাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন বি, ই, ডি এবং ভালো ফ্যাট যা আমাদের দেহের জন্য অত্যন্ত ভালো। নিয়মিত কাঠবাদাম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ভালো বলে একে বলা হয় সুপারফুড। স্মৃতিশক্তি প্রখর করে কাঠবাদাম। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি। যা মস্তিষ্কের কোষগুলোকে উন্নত করতে সহায়তা করে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। বাচ্চাদের ছোটবেলা থেকেই প্রতিদিন কাঠবাদাম খাওয়ার অভ্যাস করলে স্মৃতিশক্তি অনেক বেশি প্রখর হয়!মাত্র ২০ টি কাঠবাদামে প্রায় ৪ গ্রাম প্রোটিন থাকে! তাই এ সিরিয়ালের মাধ্যমে শিশু প্রোটিনও পাচ্ছে!
→কাজুবাদামে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়াম আছে। কাজু বাদাম নিয়মিত খেলে শরীরে খনিজের চাহিদা পূরণ হয়। কাজু বাদামে ভিটামিন কে আছে, যা হাড়ের জন্য উপকারী। এ ছাড়া রোগপ্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায় কাজু।
→কাজুবাদামে প্রচুর পরিমাণে লুটেন ও জিয়াক্সাথিন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা চোখকে আলোক রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে। চোখে ছানি পড়ার হাত থেকে রক্ষা করতে পারে কাজু বাদাম। ২০ টি কাজুবাদামে ৬ গ্রাম প্রোটিন থাকে...
→পরিমিত মাত্রায় কাজু বাদাম খেলে রক্তস্বল্পতা দূর হয়। কাজু বাদামে কপার বা তামা থাকে, যা রক্তরোগ দূর করে। রক্তে কপারের অভাব হলে লৌহ স্বল্পতাও দেখা দিতে পারে, যা রক্তশূন্যতা সৃষ্টি করে। কাজু বাদাম খেলে সমস্যা দূর হয়।
→পেস্তা বাদামে প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম থাকার পাশাপাশি এতে রয়েছে মোনোয়ানস্যাচুরেটেড ও পলি আনস্যাচুরেটেড অয়েল, প্রোটিন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, জিঙ্ক এবং ভিটামিন-ই। এছাড়াও এই বাদামে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্ল্যাভোনয়েড, যা বিভিন্ন রকমের রোগ প্রতিরোধে খুবই কার্যকরী!!
পেস্তাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৬
নানা ধরনের বাদামের মধ্যে পেস্তাতে রয়েছে সবচেয়ে বেশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট!!
→ আখরোটে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বার্ধক্য, ক্যান্সার এবং স্নায়বিক রোগও প্রতিরোধ করে আখরোট।
→ দেহের জন্য প্রয়োজনীয় মিনারেলের একটি বিরাট উৎস আখরোট। এতে আছে ম্যাঙ্গানিজ, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, কপার এবং অন্যান্য খনিজ পদার্থ।
#Note: শুধু শিশুরাই নয়! গর্ভবতী নারীর জন্যও খাবারটি উপকারী! এটি গর্ভবতী মায়ের পাশাপাশি গর্ভস্থ শিশুর শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে! যেকোনো বয়সী মানুষের জন্যই এই খাবারটি প্রচুর পুষ্টিকর ও উপকারী!!